Posts

Showing posts from June, 2020

আকুয়ারিয়ামের মাছের রোগ / অসুখ চেনার উপায় ( fish disease )

আপনি যদি আকুয়ারিয়ামে মাছ পুষতে চান , আপনার মাছেদের ভালো রাখতে চান , তাহলে আপনাকে মাছেদের রোগ সম্বন্ধে ভালোভাবে জানতে হবে । না হলে দেখবেন মাছ মারা যাচ্ছে এবং এই ভাবে কিছুদিন চলার পরে আপনার মাছ পোষার শখটি নষ্ট হয়ে যাবে । তাই আকুয়ারিয়ামে মাছ মাছ রাখতে হলে মাছের অসুখ সম্বন্ধে ভালো ধারনা থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন ।  প্রথমেই বলি , আকুয়ারিয়ামে যত মাছ মারা যায় ,তার বেশীরভাগটাই মারা যায় আকুরিয়ামের জল খারাপ হবার কারনে । প্রথমে আকুরিয়ামের জল খারাপ হয় ,তারপরে ওই জলে থাকা মাছেদের ইনফেক্সান হয় । তাই আকুরিয়ামের জল ভালো রাখাটা খুব জরুরী ।  এখন দেখে নেওয়া যাক মাছের অসুখ চিনবেন কিভাবে ?  যেহেতু এখনো পর্যন্ত মাছের রোগ নির্ণয়ের জন্য তেমন কোন উন্নত যন্ত্রপাতি পাতি পাওয়া যায় না তাই মাছ এর রোগ বা অসুখ চেনার জন্য আমাদের চোখই ভরসা । আকুরিয়ামের মাছ যদি জলের মধ্যে স্বচ্ছন্দে ঘোরাফেরা না করে বা তাদের আচরনের মধ্যে কোন রকম অস্বাভাবিকতা দেখা যায় তাহলে বুঝে নিতে হবে যে মাছটি বা মাছগুলি ওই আকুরিয়ামের মধ্যে তাদের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়  পরিবেশ পাচ্ছে না বা মাছ গুলি অসুস্থ হয়ে পড়েছে । আকুয়ারিয়ামের 

গোল্ড ফিশ মাছের বাচ্চার পরিচর্যার পদ্ধতি ( how to care of new born baby gold fish )

গোল্ড ফিশ মাছের বাচ্চা করা যতটা সহজ , মাছের বাচ্চা বাঁচানো টা কিন্তু বেশ কঠিন । আজ আমি গোল্ড ফিশ মাছের বাচ্চা কিভাবে বেশী পরিমানে বাঁচানো যায় সেই সম্বন্ধে আলোকপাত করবো।        আপনারা দেখেছেন যে গোল্ড ফিশ মাছের বাচ্চা যতটা পরিমানে জন্মায় তার বেশ কিছুটা , এমন কি ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত বাচ্চা মরে যায় । তবে একথা ঠিক যে আপনি যাই করুন না কেন ১০০ শতাংশ বাচ্চা বাঁচানো সম্ভব নয় । তবে সঠিক নিয়ম মেনে চলতে পারলে ৯০ শতাংশ বাচ্চা বাঁচানো সহজেই সম্ভব । এখন দেখে নেওয়া যাক কোন নিয়ম গুলি মেনে চললে গোল্ড ফিশ মাছের বাচ্চা বেশী পরিমানে বাঁচানো যায় । ১) প্রথমেই আলোচনা করবো ব্রূডার মাছ বা ধাড়ি মাছ নিয়ে । বেশীরভাগ মানুষ প্রথমেই যে ভুলটি করে থাকেন তা হল মাছের পেটে ডিম এসেছে বুঝতে পারলেই সেই মাছ দিয়ে ডিম পাড়ানো শুরু করে দেন । কিন্তু এই ভুল করবেন না । মাছের ডিম পাড়াবার আগে ব্রূডার মাছের সঠিক সিলেক্সান করা খুব জরুরী । গোল্ড ফিশ মাছের ক্ষেত্রে মাছের বয়স হতে হবে ১ থেকে ৩ বছরের মধ্যে , এর কম বা বেশী হলে মাছের ডিম ফুটে যে বাচ্চা বের হবে তা দুর্বল প্রকৃতির হবে । এই ধরনের বাচ্চার মারা যাবার সম্ভাবনাও