Posts

Showing posts from February, 2019

মলি মাছ কিভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়

Image
অ্যাকুরিয়াম জগতে সব চেয়ে বেশি জনপ্রিয় যতগুলি জাতের  মাছ আছে , তার মধ্যে মলি মাছ অন্যতম । মলি মাছের নাম শোনেননি এমন লোক খুব কষ্ট করেও বোধ হয় খুঁজে পাওয়া যাবেনা । নতুন অ্যাকুরিয়াম করার সময় সবার আগে এই মাছ টির নাম আমাদের মনে আসে । এই জাতের মাছ খুব প্রতিকূল অবস্থাতেও বেঁচে থাকতে পারে , তাই অ্যাকুরিয়ামে মাছ পোষার সময় সবার আগে মলি মাছের নাম মনে পড়ে । অনেকেই বলে থাকেন যে মলি মাছ মরে যাচ্ছে , ২ / ৪ দিন পরে মাছ গুলি মারা যাচ্ছে , কি করব ?  এখন দেখে নেওয়া যাক কি কি কারনে মলি মাছ মরে যাচ্ছে আর কি কি করলে এই মাছ ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায় । ১) ভালো গুনমানের মাছ ঃ বর্তমানে যে সমস্ত মলি মাছ গুলি কিনতে পাওয়া যায় তার বেশীরভাগটাই পুকুরে চাষ করা । পুকুরে চাষ করা মলি মাছ গুলি দামে সস্তা হলেও এই মাছ গুলি অ্যাকুরিয়ামে মারা যাবার সম্ভাবনা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ । পুকুরের মাছ গুলি অ্যাকুরিয়ামে রাখার পর মারা যাবার যে সমস্ত কারন গুলি হয় সেগুলি হল , প্রথমত   ৯৯ শতাংশ  পুকুরের জল খুব সফট হয়ে থাকে , কিন্তু আমরা অ্যাকুরিয়ামে অতটা সফট জল ব্যাবহার করি না কারন আমরা আ্যকুরিয়ামে যে জল ব্যবহার করি সেটা মাটির তলার জল । মাট

অ্যাকুরিয়ামের জল কিভাবে পরিস্কার রাখা যায় ?

 যত জন মানুষ অ্যাকুরিয়ামে মাছ পোষেন তাদের সকলকেই এই অসুবিধার মুখে পড়তে হয় যে , অ্যাকুরিয়ামের জল খুব তাড়াতাড়ি ঘোলা হয়ে যাচ্ছে বা গন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অ্যাকুরিয়ামের জল ঘোলা বা গন্ধ হয়ে গেলে অ্যাকুরিয়ামটি দেখতেও খারাপ লাগে আবার জল না পাল্টালে মাছও মারা যায় । যত জন অ্যাকুরিয়াম রেখেছেন তাদের প্রায় সকলকেই কোন না কোন সময় অ্যাকুরিয়ামের জলের সমস্যার মুখে পড়তে হয় । দেখে নেওয়া যাক কি কি কারনে অ্যাকুরিয়ামের জল ঘোলা হয়ে যায় বা গন্ধ হয়ে যায় । ১)যদি আপনার অ্যাকুরিয়ামের ফিল্টার ঠিকমত কাজ না করে  ( জেনে রাখুন একটি ফিল্টার চালু অবস্থায় কাজ শুরু করতে অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ দিন সময় লাগে । এই সময়ের মধ্যে ফিল্টার টি অ্যাকুরিয়ামের বাইরে বের করা বা ধোয়া যাবেনা ।  ২) যদি অ্যাকুরিয়ামের অনুপাতে মাছ বেশি থাকে । ৩) অ্যাকুরিয়ামে যদি খাবার দেওয়া বেশি হয়ে যায় । ৪) অ্যাকুরিয়ামে মাছের তুলনায় যদি কম ক্ষমতা সম্পন্ন ফিল্টার লাগান হয়ে থাকে । ৫) অ্যাকুরিয়ামে যদি অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকে ।  ৬) অ্যাকুরিয়ামের অনুপাতে যদি বড় সাইজের মাছ রাখা হয় । ৭)অ্যাকুরিয়ামে যদি ঠিকমত আলো জ্বালানো না হয় ।

ফিল্টার ম্যাচুরেসান ( filter maturation )

যারা অ্যাকুরিয়ামে মাছ পোষেন বা যারা নতুন মাছ পোষার সখ শুরু করতে চলেছেন , তাদের কাছে এই অধ্যায় সব থেকে   গুরুত্বপূর্ন । কারন এই অধ্যায় সঠিক ভাবে না করা হলে জল ঘোলা হবার এবং হটাত করে মাছ মারা যাবার সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি থেকে যায় । প্রথমে জানা যাক , ফিল্টার করা বলতে কি বোঝা যায়। ফিল্টার করার অর্থ হল পরিস্কার । অ্যাকুরিয়ামে আপনি যে ধরনের ফিল্টার দেখে থাকেন , সেই ফিল্টার গুলি কে সাধারনত দুই ভাগে ভাগ করা যায় ১ম টি হল বায়োলজিক্যাল ফিল্টার এবং.২য় টি হল কেমিক্যাল ফিল্টার। বায়োলজিক্যাল ফিল্টার ঃ এই ফিল্টার এর ফিল্টার করার পদ্ধতি হল বায়োলজিক্যাল পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ফিল্টার ভিতর দিয়ে জল ঢোকা এবং বেরোবার মাধ্যমে জল পরিস্কার হয় । এখন জানা যাক কিভাবে এই ফিল্টার জল পরিষ্কার করে । একদিক দিয়ে জল ঢুকল আর অন্য দিক দিয়ে বেরিয়ে গেলেই তো আর জল পরিষ্কার হবে না , পরিস্কার করার জন্য লাগবে একটি মাধ্যম   যে মাধ্যম এর ভিতর দিয়ে জল প্রবাহিত হলে জলের ভিতরকার ময়লা গুলি ওই মাধ্যমের মধ্যে আটকে যায় এবং ঐ মাধ্যমের মধ্যে কিছু উপকারি ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতিতে আটকে যাওয়া ময়লা গুলির শোধন ঘটে । বাইরে থেকে এই শোধ

কম খরচে প্ল্যানটেড অ্যাকুরিয়াম কিভাবে করবেন

  সাধারনত একটি প্ল্যান্টেড অ্যাকুরিয়াম তৈরি করার খরচ অনেক এবং কষ্টসাধ্য । হ্যাঁ এটা ঠিক যে কম পয়সায় যে প্ল্যান্টেড অ্যাকুরিয়াম তৈরি করা যায় তাতে বেশ কিছু ধরনের ঘাস বা মস বা বেশ কিছু ধরনের গাছ রাখা হয়ত যাবে না কিন্তু সহজে এবং খুবই কম পয়সায় যে প্ল্যান্টেড অ্যাকুরিয়াম তৈরি করা যাবে সেটি ও দেখতে কিন্তু খুব ই সুন্দর হবে এবং ওই অ্যাকুরিয়াম মেন টেন করা সহজ এবং অনেক কম খরচে করা যাবে ।  এখন দেখে নেওয়া যাক এই অ্যাকুরিয়ামটি তৈরি করার জন্য কি কি জিনিস লাগবে । ১) কিছু পরিমান পাথর , প্রতি ১ স্কোয়ার ফুট অ্যাকুরিয়ামে ৫ কে জি পাথর লাগবে । তবে এই অ্যাকুরিয়ামে মোজাইক এর পাথর বা কোন রং করা পাথর দেবেন না । যা পাথর ই দিন না কেন  ন্যাচারাল পাথর ব্যাবহার কবেন , লাল বালি চালুনি দিয়ে চেলে নিয়ে যে পাথর বার হবে তার থেকে একদম বড় গুলি বেছে ফেলে দিয়ে  , ওই পাথর আপনি ভালো ভাবেই ব্যাবহার করতে পারবেন । মনে রাখবেন এই অ্যাকুরিয়ামে কিন্তু কোন ভাবেই বালি বা খুব মিহি পাথর ব্যাবহার করবেন না । বালি দিলে গাছ বসানোর জন্য যে বেড টি অ্যাকুরিয়ামের তলায় তৈরি করতে হবে সেটি সলিড হয়ে যাবে । সলিড বেডে অ্যাকুরিয়ামের গাছ হয় না

টাইগার বার্ব ( বার্বাস টেট্রাজোনা )

Image
টাইগার বার্ব এর প্রাপ্তিস্তান কোথায় ?       এশিয়া মহাদেশের সুমাত্রা , ইন্দোনেশিয়া , জাভা , বোর্নিও , প্রভৃতি দেশের ঝর্না , জলাশয় , নদীতে এই মাছ দেখতে পাওয়া যায় । টাইগার বার্ব মাছ কতদিন বাঁচে ( life span) ? আমার অভিগ্যতা থেকে আমি এই মাছ চার বছর পোর্যন্ত বেঁচে থাকতে দেখেছি । টাইগার বার্ব কত প্রজাতির হয় ( SPECIES)? টাইগার বার্ব সাধারণত তিন প্রজাতির দেখতে পাওয়া যায় । লাল সাদা এবং সবুজ রং এর । টাইগার বার্ব কত বড় হয় ( SIZE)? এই মাছ তিন ইঞ্চি পর্যন্ত বড় হয় । টাইগার বার্ব এর স্বভাব চরিত্র কেমন হয় ? টাইগার   বার্ব এর প্রকৃতি কেমন ?    টাইগার বার্ব খুব ছট ফটে স্বভাবের হয় । সারাদিন ধরে অ্যাকরিয়াম এদিক থেকে ওদিক আবার ওদিক থেকে এদিক ঘুরে বেড়ায় । এই মাছ এক সঙ্গে আট দশটা রাখলে ঝাঁক বেঁধে ঘুরে বেড়ায় , দেখতে খুবই সুন্দর লাগে । প্লান্টেড আকুয়ারিয়ামে এই মাছ রাখা যায় । এই মাছ গাছ নষ্ট করে না । তবে মাছ সব ধরনের মাছেদের সঙ্গে রাখা যায় না , কারন এদের অন্য মাছের লেজ ঠোকরাবার স্বভাব আছে । এইমাছ এক সঙ্গে ৬ টির বেশি রাখলে সাধারনত ঠোকরায় না । টাইগার বার্ব মাছের মেজাজ কেমন